google.com, pub-3911003045807462, DIRECT, f08c47fec0942fa0

গ্রামে থেকে কি কি ব্যবসা করা যায়? ২০ টি গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া গুলো জেনে নিন

২০ টি গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া: আপনি যদি একজন গ্রামের বসবাসকারী হন এবং আপনার ব্যবসা করার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু কোন ধরনের বা কি ব্যবসা করবেন সে সম্পর্কে কোন আইডিয়া না থাকে তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য।

আজকের আর্টিকেলে আমি গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া ( village business ideas ) সম্পর্কে আলোচনা করব।

তাই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন। কেননা সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার ফলে আপনি গ্রামে বসেই বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করার জন্য গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া গুলো পেয়ে যাবেন ।

তবে আপনি যদি ব্যবসা কি কত প্রকার  বা ব্যবসার সম্পর্কে কোন বিস্তারিত জ্ঞান না থাকে তাহলে সবার আগে ব্যবসা সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা নিন।

আমাদের অনেকেরই ধারণা থাকে যে, শহরের চেয়ে গ্রামে ব্যবসা করার সুযোগ কম থাকে । আসলে ব্যাপারটা ঠিক এরকম নয়।

আপনি চাইলে গ্রামে থেকেও এমনও অনেক ব্যবসা রয়েছে যেগুলো করার ফলে শহরের চেয়েও অনেক বেশি পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

শহরের যে কোন ব্যবসা করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি প্রতিযোগিতা করতে হয় । যার কারণে ব্যবসায় সফলতা পাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়ে।

তাছাড়া শহরে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের মিল ফ্যাক্টরি থাকার কারণে চাকরি করে থাকেন। কিন্তু গ্রামে মিল ফ্যাক্টরি না থাকার কারণে অনেককেই বেকারত্ব জীবন কাটাতে হয়।

আর গ্রামে শহরের তুলনায় প্রতিযোগী এবং খরচ কম থাকায় ছোট থেকে বড় সব ধরনের ব্যবসা করার মাধ্যমে খুব দ্রুত সফল হওয়া যায়।

তা আপনি যদি গ্রামে থেকে কি কি ব্যবসা করা যায়? তা নিয়ে চিন্তিত থাকেন তাহলে  বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলো জেনে রাখুন।

এক নজরে দেখুন 👁‍🗨👁‍🗨

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ২০ টি গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া–  Village business ideas

গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া , গ্রামে থেকে কি কি ব্যবসা করা যায় , ব্যবসার আইডিয়া , বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা , নতুন ব্যবসার আইডিয়া , নতুন ব্যবসার আইডিয়া ২০২৪
গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা গুলোর মধ্যে গ্রামের নতুন ব্যবসার আইডিয়া ২০২৪ গুলো আপনার অনেকটাই উপকারে আসতে পারে।

আরো জানুন, 

কেননা গ্রামে আপনি একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যেই শুরু করতে পারেন । যা শহরে শুরু করা যায় না।

যেমন- গ্রামের যে কোনো বাজারে আপনি খুব সহজেই এবং কম টাকায় যে কোনো একটি দোকান ভাড়া পেয়ে যাবেন। যা শহরে পাওয়া অনেকটাই কঠিন এবং ব্যয়বহুল।

তাছাড়াও বর্তমানে গ্রামগুলোর বাজারে এখন রাস্তাঘাটের দিক দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে শহরের মতো পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

যার ফলে আপনি গ্রামে থেকেও আপনার ব্যবসা প্রচার-প্রসার অনেকটাই বৃদ্ধি করে খুব তাড়াতাড়ি সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছতে পারবেন।

তো বন্ধুরা আর দেরি না করে, এখন আমরা গ্রামে থেকে কি কি ব্যবসা করা যায়? অর্থাৎ গ্রামের লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া গুলো সম্পর্কে জেনে নেই।

১. মুরগীর খামার ব্যবসা/ দেশি মুরগী পালন-

বর্তমানে মাংসের চাহিদার মিটানোর জন্য মুরগির প্রচুর চাহিদা রয়েছে । মুরগী পালন বা উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো এবং নিরাপদ জায়গা হল গ্রামের খোলামেলা যায়গা। যা শহরে পালন করা খুবই কঠিন।

আপনি গ্রামের বাসিন্দা হয়ে থাকলে  মুরগির খামার দিয়ে তাতে দেশি মুরগী, কক, পোল্ট্রি অথবা অন্য কোন জাতের মুরগী পালন করতে পারেন।

বর্তমানে গ্রামে অনেকেই মুরগী পালন করে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠেন । আপনি চাইলে আপনি যেও আপনার পছন্দের মুরগী পালন করে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে পারেন।

সাধারণত ১০০ দেশি মুরগি ৬০ দিন পালন করে আপনি কমপক্ষে ৭০০০ টাকা ইনকাম করতে পাবেন। আপনি যদি ১০০০ দেশি মুরগীর খামার করেন তাহলে অনায়াসে আপনি ৭০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আমি নিজেও ৪০০ দেশি মুরগী মাত্র ৬০ দিন পালন করে ৪০ হাজার টাকা ইনকাম করেছি।

মোবাইল এবং কম্পিউটারে হানিফ বাস গেম ডাউনলোড করার নিয়ম [Hanif Bus Game Download]

সবচেয়ে সুবিধা হলো দেশি মুরগীর অসুখ অনেক কম হয় দুর্গন্ধ কম, সারাদিনে একবার খাবার পানি দিলেও কোনো সমস্যা হয় না । তাই আপনি যে কোন পেশার পাশাপাশি দেশি মুরগী পালন করতে পারবেন।

২. হার্ডওয়্যার এর দোকান-

বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রাম পর্যায়ে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। কৃষি বিভিন্ন ধরনের মেশিন, যেমন- সেচ পাম্প, ট্রাক্টর, মাহিন্দ্র, ধান কাটার মেশিন, মাড়াইকল ইত্যাদির ব্যবহার সচরা তোর দেখা যায়।

তাই এই কৃষি প্রযুক্তি গুলোর বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশের প্রয়োজন হয়। যা অনেকেই শহর থেকে কিনে এনে তাদের কৃষি যন্ত্ গুলো মেরামত করে থাকেন।

তাই আপনি একটি হার্ডওয়ার এর দোকান দিয়ে এসব কৃষি প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ গুলো বিক্রয় করে গ্রাম থেকে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারেন।

৩. রেন্ট-এ-কার ব্যবসা-

বর্তমান সময়ে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট ইত্যাদির অনেক উন্নতির ফলে আপনি রেন্ট-এ-কার বা ভাড়ায় চালিত যান এর ব্যবসা গ্রাম থেকেই করতে পারেন।

এর জন্য আপনাকে একটি প্রাইভেটকার ক্রয় করে নিতে হবে । এরপর তা আপনার গ্রামের এবং আশেপাশের গ্রামগুলোতে প্রচার করুন।

যখন কারো কোনো রেন্ট এ কার এর প্রয়োজন হবে তখন তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে । এবং আপনিও তাদেরকে রেন্ট-এ-কার ভাড়ার বিনিময়ে সার্ভিস দিয়ে দিন।

এভাবেই আপনি গ্রামে বসেই রেন্ট এ কারের ব্যবসা করে শহরের তুলনায় অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে পারেন।

কেননা যখন লোকজন গ্রামেই রেন্ট-এ-কার সুবিধাটি পেয়ে যাবে তখন তারা আর গ্রাম ছেড়ে শহরে রেন্ট-এ-কার এর জন্য যাবে না।

৪. মেডিকেল ফার্মেসী ব্যবসা-

আপনি যেখানেই থাকুক না কেন তাই সেটা শহর হোক বা গ্রাম সেটা বড় কথা নয় । তার চেয়ে বড় কথা হল সব জায়গাতেই মেডিকেল ফার্মেসি প্রয়োজন।

তাই আপনি একজন গ্রামের বাসিন্দা হয়ে থাকলে মেডিকেল ফার্মেসী ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন । এই ব্যবসাটি আপনি অনেকটাই কোম্পানির টাকায় করতে পারবেন।

তাছাড়াও এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে । যার কারণে প্রচুর পরিমাণে বিক্রয় করতে পারবেন এবং লাভও অনেক বেশি হয়ে থাকে।

৫. কাঁচামাল এর ব্যবসা-

গ্রামের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হলো কাঁচামালের ব্যবসা। আপনি চাইলে গ্রামের কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কাঁচামাল সংগ্রহ করে তা বাজারে নিয়ে বেশি দামে বিক্রয়করার মাধ্যমে অনেক টাকা লাভ করতে পারবেন।

কাঁচামাল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যা প্রতিদিন মানুষের প্রয়োজন পড়ে । যা শুধুমাত্র গ্রামেই চাষাবাদ করার মাধ্যমে উৎপাদন হয় । তাই গ্রাম-ই হলো পাইকারী দরে বা কম দামে কাঁচামাল কেনার সঠিক জায়গা।

মোবাইল এবং কম্পিউটার দিয়ে শ্যামলী বাস গেম ডাউনলোড করার নিয়ম 

তাই আপনি গ্রামে বসেই কাঁচামাল ব্যবসাটি করতে পারবেন।

এছাড়াও গ্রামের লোকদের কাছ থেকে কম দামে কাঁচামাল ক্রয় করে শহরের কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে বিক্করয়ও করতে পারবেন।

কাঁচামাল ব্যবসা করার জন্য আপনার খুব বেশি ক্যাশ এর প্রয়োজন হবে না।

৬. হস্ত শিল্পের ব্যবসা-

গ্রামে ব্যবসা করার জন্য আরেকটি জনপ্রিয় সৌখিন ব্যবসা হল হস্তশিল্পের ব্যবসা। হস্ত শিল্প হলো হাতর নিখুত কাজ । যা মানুষ অনেক শখের নিখুতভাবে তৈরি করে থাকেন। আর এই পন্যগুলো মানুষ অনেক শখ করে কিনে ব্যবহার করে থাকেন।

আপনি নিজে অথবা অন্যের মাধ্যমে হস্তশিল্পগুলো তৈরি করার পর সেগুলো আপনি বিভিন্ন দোকানে দোকানে পাইকারি দরে অথবা খুচরা বিক্রয় করতে পারবেন।

হস্তশিল্প তৈরি করার জন্য আপনি গ্রামের বেকার এবং দরিদ্র মহিলাদেরকে কাজে লাগাতে পারেন।

আরো পড়ুন, 

৭. মোবাইল মেরামত দোকান-

আপনার যদি মোবাইল রিপেয়ারিং বা মেরামত এর কাজ জানা থাকে তাহলে আপনি গ্রামের একটি বাজারে মোবাইল মেরামত দোকান দিতে পারেন।

আর যদি কাজ না জানা থাকে তাহলে আপনি চাইলে মোবাইল মেরামত কাজটি যে কোন মেকার এর কাছ থেকে ২-৩ মাসের মমধ্যেই ভালোভাবে শিখে নিতে পারেন।

বর্তমানে এটি একটি খুবই লাভজনক ব্যবসা । কেননা, এখন গ্রামের প্রত্যেকের হাতেই প্রায় মোবাইল ফোন দেখা যায়।

যখন কোনো মোবাইল ফোনটি সমস্যা হয় তখন মুহুর্তেই তারা গ্রামের দোকানগুলোতেই প্রথমেই ছুটে আসে তাদের মোবাইল মেরামত করার জন্য।

তাছাড়াও আপনি চাইলে মোবাইলের বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ রাখার পাশাপাশি ছোটখাটো বাটন সেটগুলো আপনার দোকানে রাখতে পারেন। যেগুলো বিক্রি করার মাধ্যমে আপনি আরও অধিক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

৮. বেকারির ব্যবসা

বেকারির ব্যবসা হলো গ্রামের আকেরটি ব্যবসা আইডিয়া । এই ব্যবসাটি করার মাধমে আপনি প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

বেকারির ব্যবসা করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন খাবার যেমন- বিস্কুট, পাউরুটি, চানাচুর, কেক ইত্যাদি তৈরি করতে হবে। এরপর সেগুলো পাইকারি অথবা খুচরা বিক্রয় করতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই করে কিভাবে? জন্ম নিবন্ধন সনদ যাচাই করার নিয়ম

৯. সার, বীজ ও কীটনাশক এর দোকান-

আমাদের বাংলাদেশের গ্রাম গুলো অনেকটাই কৃষি নির্ভরশীল হওয়ায় গ্রামের বাজার গুলোতে সার, বীজ ও কীটনাশক এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

আপনি যদি একজন গ্রামের বসবাসকারী হন এবং গ্রামে বসে ব্যবসা করার চিন্তা ভাবনা করে থাকেন । তাহলে, আপনি সার, বীজ ও কীটনাশক এর দোকান দিয়ে ব্যবসা করতে পারেন।

এই ব্যবসার মাধ্যমে আপনি প্রচুর পরিমাণে বিক্রয় করতে পারবেন এবং অনেকটাই লাভবান হতে পারবেন।

১০. ঠিকাদারী ব্যবসা-

বর্তমান সময়ে অনেকেই গ্রামের শ্রমিকদেরকে কম টাকার বিনিময়ে চুক্তি করে নিয়ে তাদেরকে দিয়ে শহরের বিভিন্ন ধরনের চুক্তিভিত্তিক ঠিকাদারী ব্যবসা করে অনেক টাকা ইনকাম করে থাকেন।

এর জন্য আপনাকে গ্রাম থেকে শ্রমিকদেরকে সংগ্রহ করতে হবে এবং তাদেরকে শহরে কাজ করার জন্য তৈরি করে নিতে হবে।

এরপর আপনি আপনার শ্রমিকদেরকে দিয়ে শহরের যাদের শ্রমিকের প্রয়োজন পড়ে তাদের কাজগুলো কন্টাকের মাধ্যমে করাতে হবে।

এভাবে আপনি কম টাকায় লেবার সংগ্রহ করে শহরের বেশি টাকার কাজ করিয়ে নিজে অনেকটাই লাভবান হতে পারবেন।

১১. কলা বিক্রয় ব্যবসা-

আপনি চাইলে আপনার গ্রামের বাজারে আপনি একেবারেই প্রতিযোগিতা নেই বললেই চলে এমন একটি ব্যবসা করতে পারেন । আর তা হল কলা বিক্রয় ব্যবসা। এ ব্যবসাটি প্রতি বাজারে হাতে গোনা দুই একজনে করে থাকেন।

এই ব্যবসাটির মাধ্যমে আপনি গ্রামের বাজারে প্রায় সকলেরই চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অনেকটা লাভ করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি নিজেও কলার বাগান করে এখান থেকে কলা উৎপাদন করতে পারেন।

১২. পাানি সাপ্লাই ব্যবসা-

আপনি চাইলে বসে পানি সাপ্লাই এর ব্যবসা করতে পারেন । এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হলো, প্রথমেই একটি সেচ পাম্প অথবা ডিজেল চালিত সেচ মেশিন কিনে নিতে হবে।

তারপর বিভিন্ন ভাবে আপনাকে প্রচার করতে হবে যে আপনি ভাড়ায় পানি সাপ্লাইয়ের ব্যবসা করেন । এরপর যখন কোন কৃষকের সেচের প্রয়োজন হবে তখন তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

আপনি তাদের সাথে কথা বলে টাকার বিনিময়ে শেষ পামটি ভাড়ায় দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যেমন ধরুন, কারো একটি পুকুরের পানি সেচের প্রয়োজন পড়লো মাছ ধরার জন্য । তখন আপনি তাদের পুকুরের পানি সেচে দিলেন । এর বিনিময়ে আপনি টাকা পেলেন।

মূলত এভাবেই কৃষি ক্ষেত, ফল, সবজি, শস্য ইত্যাদির সেচ সেবা প্রদানের পাশাপাশি আপনি টাকা ইনকাম করতে পারেন।

১৩. চায়ের দোকান-

একদম অল্প পুজিতে চায়ের দোকান দিয়ে চা বিক্রির ব্যবসা শুরু করা যায়। এছাড়াও আপনি চাইলে চায়ের পাশা পাশি রুটি, পুড়ি, সিংগাড়া ইত্যাদি তৈরি করে বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

এটি গ্রামের ব্যবসা আইডিয়া গুলোর মধ্যে একেবারেই সহজ ব্যবসা আইডিয়া। বর্তমান সময়ে চায়ের ব্যবসাটিও আধুনিকতায় প্রবেশ করেছে।

যেমন- ধরুন আপনি একটি দোকান দিলেন আর একটি গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয় করে তার মাধ্যমে চা বানিয়ে বিক্রি করতে পারেন।

তাছাড়াও এখন কফি বানানোর ডিজিটাল মেশিন ক্রয় করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কফিও বানিয়ে নিয়ে বিক্রি করতে পারেন। এর জন্য আপনার লাকড়ি বা খড়ির র প্রয়োজন হবে না।

১৪. গ্যাসের চুলা ও সিলিন্ডারের দোকান-

বর্তমান ডিজিটাল যুগে শহরের মতো গ্রামেও গ্যাসের চুলার মাধ্যমে রান্নার ব্যবহার অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আপনি গ্রামের বাজারে একটি গ্যাসের দোকান দিয়ে সেখানে গ্যাসের চুলা, সিলিন্ডার সহ আরো যাবতীয় পন্য সামগ্রী বিক্রি করতে পারেন।

ফলে লোকেরা হাতের কাছে গ্রাম থেকেই গ্যাস সুবিধা পাওয়ার ফলে শহরে না গিয়ে গ্রামের দোকান থেকেই গ্যাস সুবিধা ভোগ করবে।
যার ফলে আপনার বিক্রয় অটোমেটিকভাবেই দিন দিন বেড়ে যাবে । এবং আপনার অনেক বেশি লাভ করার সুযোগ পাবেন।

১৫. বই, খাতা-কলমের দোকান-

বই, খাতা, কলম ইত্যাদি গুলো অনেকটাই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। কেননা শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। তাই শিক্ষার সাথে জড়িত পন্যগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে।

গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য অবশ্যই বই, খাতা এবং কলমের প্রয়োজন অনেক বেশি রয়েছে।
যার কারণে গ্রামে এসব দোকান না থাকার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরা শহরের গিয়ে ক্রয় করে থাকেন।

তাই আপনি একটি বই, খাতা বা স্টেশনারি দোকান এর ব্যবসা শুরু করতে পারেন । এতে প্রচুর লাভ করতে পারবেন।

১৬. কম্পিউটার এবং ফটোকপির দোকান-

বর্তমানে গ্রামে গঞ্জে সব জায়গাতেই ফটোকপি এবং কম্পিউটারের ব্যবহার দেখা যায়।

তাই আপনি গ্রামে বসে একটি কম্পিউটার অথবা ফটোকপি মেশিন কিনে দোকান দিয়ে ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

ফটোকপি এবং কম্পিউটার ব্যবসাতে অনেকটাই লাভ করা যায় যদি দোকানটি আপনি কোন প্রতিষ্ঠান বা ফ্যাক্টরি বা বাজারের ভালো জায়গায় দিতে পারেন।

তাছাড়া, আপনি যদি কাজে অনেক দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে কাস্টমাররা খুঁজে বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নিবে।

সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশেই আপনার ফটোকপি বা কম্পিউটারের দোকানটি দিতে পারেন। এতে করে প্রতিষ্ঠানের বা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের কাজ আপনি পেয়ে যাবেন।

অবশ্যই পড়ুন, 

১৭. ফাস্ট ফুড এর দোকান-

বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির কারণে গ্রাম ও শহরের মতো উন্নত হয়ে উঠছে। শহরের লোকদের কালচারগুলো গ্রামের লোকদের ভেতরেও প্রবেশ করছে।

তাই আপনি শহরের মতো গ্রামেও যদি একটি ফাস্টফুডের দোকান দিয়ে ফাস্ট ফুড এর ব্যবসা শুরু করেন, তাহলেও অনেক কাস্টমার পেয়ে যাবেন।

গ্রামের অনেকেই রয়েছেন যারা ফাস্টফুড খেতে পছন্দ করেন। তাই যাদের কাছে আপনি আপনার ব্যবসাটির সেবা প্রদানের পাশাপাশি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তারা যখন গ্রামে বসেই আপনার দোকান থেকে ফাস্টফুড পেয়ে যাবে, তখন তারা পরবর্তীতে আপনার দোকোনেই চলে আসবে ফাস্টফুড খাওয়ার জন্য।

এভাবেই আপনি ধীরে ধীরে আপনার ব্যবসা প্রচার করার মাধ্যমে প্রসার করতে পারবেন।

১৮. tuition center ব্যবসা-

আপনি যদি পড়াশোনার দিক দিয়ে ভালো স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনি একটি টিউশন সেন্টার খুলে ছাত্রছাত্রীদেরকে পড়াতে পারেন ।

এর মাধ্যমে আপনি ছাত্র-ছাত্রী কালেকশন করে নিতে হবে। অথবা পড়ানো হয় বিজ্ঞপিতর মাধ্যমে প্রচার করতে হবে।
টিউশনি করিয়ে গ্রামে বসেই ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা ইনকাম করা সম্ভব।

১৯. টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা

আপনি চাইলে একটি টি শার্ট প্রিন্টিং মেশিন ৩৫ থেকে ৪০ হাজারের মধ্যে ক্রয় করে এই ব্যবসাটি গ্রামে বসেই শুরু করতে পারেন।

আপনি বিভিন্ন কম দামের গেঞ্জি, বা টি-শার্ট ক্রয় করে নিয়ে এসে তাতে বিভিন্ন ডিজাইনে প্রিন্টিং করে অধিক দামে বিক্রয় করে টাকা আয় করতে পারেন।

এছাড়াও অনেকের অর্ডারি টি-শার্টগুলোতে বিভিন্ন লেখা বা ডিজাইন প্রিন্ট করে ট টাকা ইনকাম করতে পারবেনা।

যেমন- ফুটবল খেলার জন্য একসেট জার্সিতে খেলোয়ারদের নাম লিখে প্রিন্ট করে দেওয়ার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

২০. হকারের ব্যবসা-

আপনার যদি ব্যবসা করার তেমন পুঁজি না থাকে । তাহলে আপনি অল্প টাকায় বিভিন্ন ধরনের হকারের ব্যবসা করতে পারেন ।

যেমন- ঝাল মুড়ি বিক্রয়, আচার বানিয়ে বিক্রয়, চা বানিয়ে ফ্লাকে করে বিক্রয়, হাওয়ার পিঠা বানিয়ে বিক্রয় ইত্যাদি করতে পারেন ।
হকারের ব্যবসা করে আপনি খরচের তিনগুন বেশি লাভ করতে পারবেন অর্থাৎ অনেক বেশি লাভ করতে পারবেন ।

আজকের শেষ কথা,

আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে গ্রামে থেকে কি কি ব্যবসা করা যায় ? গ্রামের ব্যবসার আইডিয়া ( Village business ideas ) গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি ।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া গুলো আপনাদের কেমন লেগেছে তা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন ।

আর যদি ব্যবসার আইডিয়া আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন । ধন্যবাদ ।

Leave a Comment