google.com, pub-3911003045807462, DIRECT, f08c47fec0942fa0

অল্প পুজিতে ১০টি সেরা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া

পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া(Wholesale Business Ideas): বন্ধুরা আপনারা যারা অল্প টাকার মধ্যে পাইকারি ব্যবসা সম্পকে জানতে চাচ্ছেন। অথবা কম টাকায় কি ধরনের পাইকারি ব্যবসা করা যায় তা জানতে চান? আপনাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেলটি লেখা। তাই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

আপনারা যারা একসঙ্গে অধিক পণ্য বা সামগ্রী ক্রয় করে সেগুলো পাইকারি ধরে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করতে চান। তাদের জন্য মূলত পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া খুব ভালোভাবে থাকা প্রয়োজন ।

তা না হলে আপনি পাইকারি ব্যবসা করার ক্ষেত্রে পণ্য সামগ্রী ক্রয় করার সময় সঠিকভাবে ক্রয় না করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

এছাড়াও বিক্রির সময়ও আপনার কোন পণ্যটি কত টাকায় বিক্রি করতে হবে বা কত টাকা দিয়ে কিনলে সেগুলো বিক্রির সময় অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারবেন সেই জন্য আর অবশ্যই আপনার পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকা প্রয়োজন।

এক নজরে দেখুন 👁‍🗨👁‍🗨

Wholesale Business- পাইকারি ব্যবসা বলতে কি বোঝায়?

পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া, সেরা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া, অল্প পুজিতে ১০টি সেরা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া,
পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া

Wholesale Business- পাইকারি ব্যবসা বলতে সাধারণত উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে একদম পাইকারি রেটে অসংখ্য পণ্য নেওয়ার প্রাথমিক ধারণাকে বোঝায়।

এছাড়াও বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিভিন্ন ডিলারের কাছ থেকে বা বিভিন্ন ধরনের কোম্পানির ডিলারশিপ নিয়েও পাইকারি রেটে অসংখ্য পণ্য ক্রয় করার প্রকিয়াকে বুঝায়।

তবে পাইকারি ব্যবসার ক্ষেত্রে ক্রয় করার সময় যেরকম পাইকারি দরে ক্রয় করা হয়। ঠিক তেমনি ভাবে বিক্রয় করার ক্ষেত্রেও ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে অল্প লাভে পাইকারি দরে পন্য সামগ্রী বিক্রির প্রক্রিয়াকে বলা হয়।

এরপর খুচরা ব্যবসায়ীগণ খুচরা বিক্রেতাদের কাছে খুচরা মূল্যে পাইকারি রেটের তুলনায় একটু বেশি দামে পন্য সামগ্রী বিক্র করে থাকেন।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো পাইকারি ব্যবসাতে খুব অল্প সময় এবং পরিশ্রমের ফলে অধিক পরিমাণে লাভ করার সম্ভাবনা থাকে।

আরো জানুন, 

তো বন্ধুরা চলুন আজকের আর্টিকেলে আমরা অল্প পুজিতে ১০টি সেরা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জেনে নেই।

অল্প পুজিতে ১০টি সেরা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া:(Best Wholesale Business Ideas)

বর্তমানে অল্প পুজিতে বিভিন্ন ধরনের পাইকারি ব্যবসা করতে পারবেন। তবে আজকে আমি আপনাদের সাথে শুধূমাত্র এমন সব পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানাবো। যেগুলো বিক্রি করে আপনারা সবচেয়ে লাভবান ব্যবসায়ী হতে পারবেন।

এরজন্য আপনাকে হয়তোবা প্রথম দিকে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে এবং ধৈয্যসহকারে ব্যবসা চালিয়ে যেতে হবে।

বন্ধূরা চলুন অল্প পুজিতে সেরা ১০টি লাভজনক পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া আইডিয়াগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. পাইকারি কাপড়ের ব্যবসার আইডিয়া-

কাপড়ের ব্যবসা হলো বর্তমানের আরেকটি জনপ্রিয় পাইকারি ব্যবসা। আপনি চাইলে পাইকারি দরে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাপড় ক্রয় করে সেগুলো বিভিন্ন হাট বাজারে, গ্রামে গঞ্জে খুচরা দরে বেশি দামে বিক্রয় করতে পারেন।

এতেকরে ভালো পরিমানে লাভ করতে পারবেন।

আপনি পাইকারি দরে এবং স্বল্ট দামে কাপর ক্রয় করতে বিভিন্ন ধরনের তাঁতি কিংবা তৈরি পোশাক কারখানা থেকে সরাসরি ক্রয় করে আনতে পারেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর মতো জায়গাগুলো থেকেও অল্ট দামে পাইকারি দরে কাপড় ক্রয় করে আনতে পারেন।

২. ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক পণ্যের পাইকারি ব্যবসা আইডিয়া-

বর্তমানে আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক পন্য যেমন, লাইট, টিউব, তার, সকেট, সুইচ সহ বিভিন্ন খুঁটিনাটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যা আগের তুলনায় অধিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এসব ইলেক্টরিক পন্য বিক্রির জন্য আপনাকে সঠিক জায়গা বেছে নিতে হবে। পন্য ক্রয়ের সময় কম দামে ভালো মানসম্মত পন্য ক্রয় করে অধিকদামে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে লভ্যাংশ বের করতে হবে।

এই ব্যবসাটি করতে চাইলে আপনি পুরান ঢাকার গুলিস্তানের কাপ্তান বাজার থেকে বিভিন্ন প্রকার ইলেক্ট্রনিক পন্যগুলো ক্রয় করে নিয়ে সেগুলো আপনার শহরতলী বা গ্রামের বাজারগুলোতে বিক্রি করে লাভবান হতে পারেন।

তবে পন্য ক্রয় করার সময় অবশ্যই আপনাকে প্রতারক চক্র হতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

৩. ফলের পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া-

ফল হচ্ছে প্রায় সকল দেশেরই সবচেয়ে চাহিদা সম্মত এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উপাদান। ফল সকলেরই পছন্দের একটি খাবার। শিশু বাচ্চা থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী নর-নারী, বৃদ্ধ বয়সের সকলেরই ফল খাওয়ার আগ্রহ রয়েছে।

তবে আগেকার দিনে গ্রামের চেয়ে শহরের লোকদের কাছে বিভিন্ন ধরনের ফল আমদানী ও বিক্রয় বেশি হলেও বর্তমানে গ্রামের বাজার গুলোতেও ফলের চাহিদা প্রচুর রয়েছে।

বর্তমানে শহর এবং গ্রামের ফলের দোকানগুলোতে বারোমাসি ক্রেতা সংখ্যা প্রচুর দেখা যায়। এবং ফল বিক্রেতা গণ ফল বিক্রি করার মাধ্যমে ভালো পরিমাণে লাভ করে থাকেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ফল ক্রয় বিক্রয় করার নির্দিষ্ট একটি জায়গা হল পুরান ঢাকার বাদামতলীতে। আপনি যদি একজন ফল ব্যবসায়ী হতে চান এবং অল্প টাকা খাটিয়ে অধিক লাভবান হতে চান?

তাহলে পুরান ঢাকার বাদামতলীতে অথবা অন্য যে কোনো ফল বিক্রয় হাট থেকে কম দামে অধিক ফল ক্রয় করে নিয়ে সেগুলো শহরতলীতে অথবা গ্রামের ছোট ছোট বাজারে বিক্র করে অধিক লাভবান হতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন যে, আপনি যখন কোনো ফলের ক্রেটে ফল সংগ্রহ করবেন সেগুলোর গুনগত মান, ওজন ইত্যাদি ঠিক আছে কি না?

সাধারণত প্রতি ক্রেটে ১৬ থেকে ২০ কেজি পর্যন্ত ফল ভর্তি করে পাইকারি বিক্রয় করা হয়ে থাকে।

৪. স্টেশনারি পণ্যের পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া-

বর্তমানে স্কুলের শিক্ষার্থী থেকে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিশ আদােলত সব জায়গাতেই স্টেশনারি পন্য সামগ্রী যেমন- খাতা, কলম, পেন্সিল, রাবার, শার্পনার প্রভৃতি চাহিদা রয়েছে প্রচুর পরিমানে।

এসব পন্য নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় প্রায় সকল ক্ষেত্রেই।

আপনি চাইলে এই ব্যবসাটি করার জন্য উৎপাদনশীল কোম্পানী থেকে সরাসরি বা ডিলারশীপের মাধ্যমে পাইকারি ক্রয় করে নিজে বিভিন্ন স্কুল-কলেজে বা প্রতিষ্ঠানে খুচরা বা পাইকারি বিক্রির করে ভালো পরিমানে লাভবান হতে পারেন।

সাধারণত হিসাব করলে দেখা যায় যে, উৎপাদন কারকের কাছ থেকে খুচরা দোকান পর্যন্ত মধ্যস্থকারীদেরকে প্রায় ৩০-৪০% কমিশন দিতে হয় বিক্রির জন্য।

আরো পড়ুন, 

আর আপনি যদি সরাসরি কোম্পানি থেকে পন্যগুলো পাইকারি দরে কিনে নিয়ে সেগুলো সেল করেন তাহলে সেই লাভ সম্পূর্ণ আপনার।

তবে এর জন্য আপনাকে কোন কোম্পানি বা ব্যান্ডের পন্যগুলো ভালো মানের সেই সম্পর্কে যথেষ্ট ধারনা থাকতে হবে।

৫. চা-পাতার পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া-

বর্তমানে চা হলো আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। আমরা সকলেই প্রতিনিয়ত চা খেয়ে থাকি। হাটে-বাজারে, শহরে-গ্রামে যতো হোটেল দেখবেন সবখানে আপনি চা খাওয়া লোকদের ভিড় দেখতে পাবেন।

এই চা তৈরিতে মূলত চা-পাতার প্রয়োজন হয়। এই চা পাতা উৎপাদন হয় আমাদের দেশের সিলেট অঞ্চলে।

আপনি যদি চা-পাতার ব্যবসা করতে চান? তাহলে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমানে টাকা ইনভেস্ট করে সেগুলো পাইকারি দরে কিনে নিয়ে বিভিন্ন হোটেলে বা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রয় করতে হবে।

এতে করে আপনি ভালো পরিমানে লাভ করতে পারবেন । চা-পাতা ক্রয়ের সময় আপনাকে লক্ষ করতে হবে যে, চা-পাতার গুনগত মান, ওজন ইত্যাদি ঠিক আছে কি না?

সবকিছূ ঠিকঠাক থালে আপনি সেগুলো পাইকারি দরে ক্রয় করে নিয়ে আসতে পারেন । অতপর সেগুলো অধিক লাভে খুঁচরা বিক্রি করতে পারেন।

৬. টি-শার্টের পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া-

বর্তমানে ফ্যাশন জগতের ছেলে-মেয়েদের পোশাকের চাহিদা প্রচুর রয়েছে। তার মধ্যে টি-শার্ট হচ্ছে ছেলে-মেয়েদের উভয়েরেই একটি ফ্যাশনেবল পোশাক। যা বর্তমানের শহরগুলোতে গেলেই আপনি দেখতে পারবেন।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পের দিক থেকে খুবই অগ্রগতিতে রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি তৈরি পোশাক শিল্প প্রচুর রয়েছে।

যার কারণে আপনাকে পোশাক তৈরি কারখানা খুঁজতে খুব ব্যাগ পেতে হবে না এবং তৈরি পোশাক ক্রয়ের ক্ষেত্রেও তেমন বেশি পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে না। অল্প টাকা দিয়ে আপনি তৈরি পোশাক ক্রয় করতে পারবেন।

তবে এর মধ্যে সবচেয়ে স্বাস্থ্যের মূল্য আপনি পাবেন সবচেয়ে ভালো মানে টি-শার্ট।

আপনি যদি টি-শার্ট এর পাইকারি ব্যবসা করতে চান? তাহলে অবশ্যই আপনাকে যে কোন গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি থেকে পাইকারি ধরে অল্প দরে ভালো মানের t-shirt ক্রয় করে আনতে হবে।

তারপর সেগুলো নির্দিষ্ট একটি দোকানে বসে অথবা শহরের বা গ্রামের অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে বিক্রয় করতে হবে।

তাছাড়া আপনি বিভিন্ন জাতীয় আন্তর্জাতিক দিন, ধর্মীয় উৎসবের মতো বিশেষ দিনগুলোতে অধিক জনবহুল প্রিয় জায়গা গুলোতে আপনার টি-শার্ট গুলি হকারদের মতো ঘুরে ঘুরে বিক্রয় করে অধিক পরিমাণে লাভবান হতে পারেন।

৭. বীজ, সার ও কীটনাষকের ব্যবসা-

বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের অধিকাংশ লোকই কৃষির উপর নির্ভরশীল হয়ে জীবন যাপন করেন।

তাই আপনি চাইলে কৃষকদের কৃষিকাজে প্রয়োজনীয় পন্য যেমন, বীজ, সার ও কীটনাষকের ডিলারশীপ অথবা পাইকারি দরে কিনে সেগুলো কৃষকের কাছে খুচরা দরে বিক্রি করতে পারেন। এতেকরে বেশি লাভবান হতে পারবেন।

৮. মুদি বা মনোহরি পন্যের পাইকারি ব্যবসা-

আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি গুলো যেমন চাল, ডাল, লবণ, তেল, আলু, পিঁয়াজ, চিনি প্রভৃতির চাহিদা কখনোই কমবে না। তাই দীর্ঘ সময়ের নির্ভরযোগ্য পাইকারি ব্যবসার জন্য মুদি দোকানের পন্য বা মুদির পাইকারি ব্যবসা করা যেতে পারে।

আপনি চাইলে মুদি পণ্যগুলো সরাসরি কোম্পানির কাছ থেকে পাইকারি দরে কিনে তা বিভিন্ন দোকানে সাপ্লাই দেয়ার মাধ্যমে সঠিক ভাবে ব্যবসাটি করতে পারেন। এতে করে আপনার ভালো পরিমানে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৯. বেকারীর পাইকারি ব্যবসা-

আমরা প্রায় সকলেই প্রতিদিন সকালের নাস্তায় বিভিন্ন ধরনের কেক, বিস্কুট, রুটি, পাউরুটি ইত্যাদি খেয়ে থাকি। তাছাড়াও প্রতিদিন বিভিন্ন সময়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের বেকারীর মালামাল ক্রয় করে খেয়ে থাকি।

তাই প্রতিদিন বেকারীর পন্যের চাহিদা অনেক বেশি দেখা যায়।

বেকারীর পন্যের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে প্রতিনিয়তই বহু বেকারীর কারখানা তৈরি হচ্ছে। আর সেই কারখানা থেকে নিয়মিত প্রচুর পরিমানে বেকারীর পন্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

অবশ্যই পড়ুন, 

তাই আপনি চাইলে বেকারীর পাইকারী ব্যবসা করার জন্য সরাসরি বেকারীর কারখানা থেকে পাইকারি দরে মালামাল কিনে সেগুলো খুচরা দরে বিভিন্ন দোকানে দোকানে, হোটেলে, হাটে-বাজারে বেশি দামে বিক্রি করতে পারেন।

এতে করে আপনি অল্প পুঁজি খাঁটিয়েও ব্যবসাটি করতে পারবেন এবং বেশি পরিমানে লাভও করতে পারবেন।

১০. কাঁচামালের পাইকারি ব্যবসা আইডিয়া-

আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরিতে কাঁচামাল প্রয়োজন। আমরা প্রতিদিনই কমবেশি সকলেই কাঁচামাল ক্রয় করে থাকি। বিভিন্ন গ্রামের, প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকের ফলানো কাঁচামালগুলো সাধারণত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে শহরের বাজারগুলোতে প্রবেশ করে।

কৃষক থেকে শহর পর্যন্ত পৌছতেই মূলত কাঁচামালের পাইকারি ব্যবসার উৎপত্তি হয়।

আপনি যদি একজন গ্রামের বাসিন্দা অথবা শহরের বাসিন্দা যাই হোন না কেন। আপনি যদি কাঁচামাল ব্যবসাতে অধীক পরিমানে লাভবান হতে চান?

তাহলে অবশ্যই আপনাকে গ্রামের বাজার গুলোতে অথবা গ্রামের কৃষকের কাছ থেকে কাঁচামালগুলো পাইকারি দরে কিনে নিয়ে সেগুলো শহরের বাজারে বিক্রি করতে হবে।

গ্রামের বাজারে তুলনায় সব সময় শহরের বাজারে কাঁচামালের দাম-দর কেজিপ্রতি বেশি থাকে।

তবে এক্ষেত্রে আপনাকে কাঁচামাল ক্রয়ের সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন কাঁচামাল গুলো টাটকা-তরতাজা, মানে ভালো এবং ওজন বা পরিমানে সঠিক থাকে।

প্রশ্ন উত্তর-

ব্যবসা বলতে কি বুঝায়?

ব্যবসা এমন একটি কার্যকলাপ, যেখানে পণ্য উৎপাদন বা ক্রয় এবং বিক্রয় দ্বারা অর্থ উপার্জনের মাধ্যমে একজন বা একাধিক ব্যক্তি জীবিকা নির্বাহের রাস্তা খুঁজে পেয়ে থাকেন।”

এক কথায় বলা যায়, ব্যবসা হলো এমন সব কার্যকলাপ যার মাধ্যমে লভ্যাংশ আয় করা যায় বা চেষ্ট করা হয়ে থাকে।

 অল্প পুঁজিতে পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া কোনগুলো?

স্বল্প পুঁজির কয়েকটি ব্যবসার আইডিয়া হলো- 

১. অনলাইন কোর্স বিক্রির ব্যবসা।
২. খাবারের হোম ডেলিভারি ব্যবসা।
৩. ঝাল মুড়ির ব্যবসা।
৪. ফলের রসের ব্যবসা ।
৫. ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা।
৬. মধু বিক্রয় ব্যবসা।
৭. চা বিক্রির ব্যবসা।
৮. মাছ বিক্রির ব্যবসা।
৯. কলা বিক্রির ব্যবসা।
১০ হকারের ব্যবসা, ইত্যাদি।

আজকের শেষ কথা,

বন্ধুরা উপরের আলোচনায় আমরা অল্প পুজিতে ১০টি সেরা পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে জানলাম। আশাকরি আপনি আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে পাইকারি ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে ভালো ধারনা পেয়েছেন।

আর্টিকেলটি আপনাদের কেমন লাগলো তা জানাতে কমেন্ট করুন। আর যদি আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসে তাহলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

তাছাড়াও বিভিন্ন ধরনের নিত্য-নতুন ব্যবসার আইডিয়া পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন। ধন্যবাদ

Leave a Comment